জাদুটোনার সমস্যায় ভুগছেন?
০১৭০৩-৬৩৮৭৯৫ হোয়াটসঅ্যাপ ইমু অথবা কলে।
আপনার জীবনের সমস্যা কি এমন মিলিয়ে নিন।।।
আপনি কোন রোগে/কোন সমস্যায় আক্রান্ত এখান থেকে মিলিয়ে নিন।
- লক্ষণসমূহ (Symptoms): এবং সমস্যা যাচাই, এখান থেকে ১/২ লক্ষণ মিলে যেতে পারে দুই একটা লক্ষণ মিললে জ্বিন,যাদু,বদ নজরে আক্রান্ত মনে করা যাবে না। যদি আপনার সাথে কয়েকটি লক্ষণ মিলে যায় অথবা দীর্ঘদিন সমস্যা আপনার হয়ে থাকে তাহলে আপনি বুঝে নিবেন আপনার এসব সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে যার জন্য চিকিৎসা করা প্রয়োজন।
================
🥺 বদনজরের লক্ষণসমূহঃ
===========
০১) শিশুদের ক্রমাগত কান্নাকাটি, চমকে ওঠা। খাবার/ বুকের দুধ খেতে না চাওয়া।
০২) সবকিছুতে ক্রমাগত অবনতি। ব্যবসা, চাকুরী, আয়-রোজগারে ঝামেলা লেগেই থাকা। কোনো কাজে দক্ষ হওয়া সত্বেও নানারকম বাধা-বিঘ্ন লেগে থাকা।
০৩) অহেতুক বিয়ে ভেঙ্গে যাওয়া।
০৪) চেহারায় ব্রণ ও লাল লাল দাগ। নানারকম চর্মরোগের প্রকোপ।
০৫) শরীরে কোনো অসুখ আছে কিন্তু মেডিকেল টেস্টে ধরা পড়ছে না।
০৬) একের পর এক লেগেই থাকা। দীর্ঘকাল চিকিৎসায়ও সাধারণ অসুখ ভাল না হওয়া।
০৭) পড়াশোনা, কাজ-কর্ম, ইবাদত-বন্দেগীতt অনিহা
০৮ অরুচি। দুর্বলতা। সারাদিন ঘুমঘুম ভাব। চেহারা মলীন ও ফ্যাকাসে।
০৯) অস্বস্তি। মাথা ঝিমঝিম করা। বুক ধড়ফড় করা।
১০) অতিরিক্ত চুল পড়া। ঔষধ-শ্যাম্পুতে কাজ না করা।
১১) অহেতুক মুড অফ থাকা। মেজাজ খিটখিটে।
১২) পেটে গোলোযোগ, গ্যাস। ঔষধে কাজ করে না।
১৩) অহেতুক কান্না আসা। একা থাকতে ভাল লাগে। কারো সাথে দেখা-সাক্ষাতে বিরক্তি।
১৪) হাতে পায়ে ব্যাথা। শরীরে ব্যাথা দৌড়ে বেড়ানো।
১৫) স্বপ্নে রাঙাচোখ বিশিষ্ট কাউকে দেখা। মৃত মানুষ দেখা। নিজেকে মৃত দেখা। ইত্যাদি।
.............
✅#ওয়াসওয়াসা-এর লক্ষণসমূহঃ
=================
০১) অযু-গোসোল ও নামায (সালাত)-এর বিশুদ্ধতা নিয়ে বারবার সন্দেহ সৃষ্টি হওয়া। ঠিকভাবে সবকিছু হয়েছে কিনা তা সন্দেহ হওয়া।
০২) অযু-গোসোলের সময় এক অঙ্গ বারবার ধুইতে থাকা। ঠিকভাবে ধোয়া হল কিনা তা নিয়ে সন্দেহ হওয়া।
০৩) নামায (সালাত)-এর রাকাত-সংখ্যা নিয়ে সন্দেহ হওয়া। বিভিন্ন আরকান সম্পর্কে দ্বিধা-দন্দ্বে পড়ছেন। সাজদাহ একটা দিয়েছেন না দুইটা দিয়েছেন সন্দেহ লাগছে? আর এসব কি প্রায় দিনই হচ্ছে?
০৪) বারবার অযু ভেঙ্গে যাওয়ার সন্দেহ হওয়া।
বিশেষকরে নামাযের মধ্যে। মনে হচ্ছে প্রসাবের ফোঁটা পড়ছে, অথবা সবসময় মনে হচ্ছে বায়ু বের হয়ে যাচ্ছে? কিন্তু আপনি নিশ্চিত হতে পারছেন না..
০৫) সর্বদা মাথায় অশ্লীল চিন্তা-ভাবনা আসা। পাপকাজের প্রতি আগ্রহবোধ করা।
০৬) আল্লাহ, রাসূল (সাঃ) ও ইসলামের ব্যাপারে মনের মধ্যে বারবার অবমাননাকর চিন্তা আসা।
০৭) শ্রদ্ধাভাজন কারো সামনে থাকলে মনের ভেতর থেকে বেয়াদবি করার জন্য উস্কানি অনুভূত হওয়া।
০৮) টয়লেটে বা গোসোলখানায় বিনা কারণে অতিরিক্ত সময় ব্যায় করা।
০৯) পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পরনের কাপড় নিয়ে সন্দেহ হওয়া।
১০) উদাসীনতা। কোনো কিছুই ভালো না লাগা। কাজ-কর্ম ও ইবাদত-বন্দেগীতে অমনোযোগী।
১১) বিনা কারণে সর্বদা চিন্তিত থাকা। বিভিন্ন অহেতুক চিন্তা মাথায় ঘুরাঘুরি করা। ইত্যাদি।
১২)আপনার কানে কি ফিস ফিস করে শোনা যাচ্ছে আপনি কুফরের দিকে ধাবিত হচ্ছেন (কুফরি করছেন)
১৩)আপনি কি কোন অদ্ভুত শব্দ কণ্ঠ শুনতে পাচ্ছেন? কারো সাথে এটা নিয়ে আলোচনা করলে ভাবছে, আপনি প্যারানয়েড বা পাগল হয়ে যাচ্ছেন!
১৪. নামাজে সাজদা করতে গেলে মনের মধ্যে বিভিন্ন অশ্লীল ছবি কিংবা দেবদেবীর মুর্তি ভেসে উঠছে?
-------
উত্তর যদি হয় “হ্যাঁ!”
তবে আপনি শয়তানি ওয়াসওয়াসা রোগে আক্রান্ত..
খেয়াল করার বিষয় হচ্ছে, এক-দুইদিন এরকম হতেই পারে। কিন্তু সবসময়ই বা দিনের পর দিন যদি আপনার মাঝে দেখা যায়, তবে বুঝতে হবে - “হ্যাঁ! সত্যিই আপনি শয়তানি ওয়াসওয়াসা রোগে আক্রান্ত..
.............
🍁🏵️#জ্বিনের আসরের লক্ষণসমূহঃ
================
(ক) জাগ্রত অবস্থায়ঃ
---------------------------
০১) ইবাদত বিমূখতা। দিনদিন আল্লাহবিমূখ হওয়া। ইবাদত-বন্দেগীতে অনীহা।
০২) কুরআন তেলাওয়াত ও আযানে অস্বস্তি। নিজে তেলাওয়াত করতে গেলে বিভিন্নভাবে বাধাপ্রাপ্ত হওয়া।
০৩) জাগ্রত অবস্থায় স্বপ্নের মত অনেক কিছু দেখতে পাওয়া। অদৃশ্য কারো আওয়াজ শুনতে পাওয়া।
০৪) ভিন্নধর্ম ও ধর্মীয় কার্যকলাপের প্রতি আকর্ষণ (হঠাৎ)।
০৫) মহিলাদের অনিয়মিত ঋতুশ্রাব। অস্বাভাবিক (কম বা বেশী) ঋতুশ্রাব।
০৬) কিছুতেই কোনো কাজে মন না বসা। মনোযোগ বিক্ষিপ্ত।
০৭) সামান্যতেই রেগে যাওয়া, কান্নাকাটি করা। দুর্ব্যবহার করা, গালিগালাজ করা।
০৮) অনিয়ন্ত্রিত ও অস্বাভাবিক আচরণ। আচরণ ও রুচিতে হঠাৎ ব্যাপক পরিবর্তন।
০৯) প্রচন্ড অলসতা, অবসন্নতা, দুশ্চিন্তা, হতাশা, অস্থিরতা, আতঙ্কভাব। শরীর ভারী ভারী লাগা।
১০) শরীরের কোনো অঙ্গে প্রচন্ড ব্যথা, প্যারালাইজড, কিন্তু চিকিৎসায় কাজ হচ্ছে না।
ডাক্তাররা যেখানে সমস্যা খুজে পেতে বা চিকিতসা করতে অপারগ হচ্ছে।
আবারও মনে করিয়ে দেই, শারীরিক রোগের কারণেও এসব হয়ে থাকে। তবে যখন দীর্ঘদিন যাবত যখন এসব লক্ষণ দেখা যাবে, তখন ভাববেন কোনো সমস্যা আছে।
১১) সন্তান বুকের দুধ খেতে না চাওয়া। মা সন্তানকে দুধ খাওয়াতে না চাওয়া।
১২) টয়লেটে দীর্ঘ সময় ব্যয় করা। একা একা কারো সাথে কথা বলা।
১৩) হঠাৎ দৃষ্টিশক্তি, শ্রবণশক্তি লোপ পাওয়া, কোনো কারণ ছাড়াই।
১৪) হঠাৎ অজ্ঞান/বেহুশ হয়ে যাওয়া।শ্বাসকষ্ট হওয়া।
১৫) বারবার বমি করতে থাকা। প্রচন্ড বমিবমি ভাব।
১৬) দীর্ঘস্থায়ী মাথা যন্ত্রণা/ব্যথা। ঔষধে কাজ না করা।
১৭) প্রচুর Hallucination হওয়া। Schizophrenia (সিজোফ্রেনিয়া) -তে আক্রান্ত হওয়া।
১৮) স্বামী+স্ত্রী উভয়ে সুস্থ হওয়া সত্বেও গর্ভধারণ না হওয়া।
১৯) মৃগীরোগ ও ক্যান্সার হওয়া। ইত্যাদি।
.
🍁(খ) ঘুমন্ত অবস্থায়ঃ
------------------------
০১) ভয়ানক স্বপ্ন দেখা। স্বপ্ন দেখে চমকে ওঠা।
০২) উদ্বিগ্নতা, নিদ্রাহীনতা। ঠিকঠাক ঘুম না হওয়া।
০৩) স্বপ্নে কোনো গোরস্থান, পরিত্যক্ত বা নির্জন কোনো জায়গা বারবার দেখা। নিজেকে সেখানে দেখা।
০৪) স্বপ্নে কুকুর, বিড়াল, বাঘ, সিংহ, সাপ ইত্যাদি কোনো হিংস্র প্রাণীকে আক্রমণ করতে বা ধাওয়া করতে দেখা।
০৫) ঘুমের মধ্যে কথাবার্তা বলা, চিৎকার করা, হসি-কান্না, গোঙানো।
০৬) ঘুমের মধ্যে কেউ চেপে ধরেছে এরকম অনুভূতি। নড়াচড়া না করতে পারা।
০৭) বিশেষ আকৃতির মানুষ দেখা। যেমনঃ বিশাল লম্বা, খুবই কালো, অনেক খাটো ইত্যাদি।
০৮) ঘুমের মধ্যে হাটাহাটি করা, দৌড়ানো।
০৯) স্বপ্নে নিঁজেকে উচু কোনো জায়গা থেকে পড়ে যেতে দেখা।
১০) যথেষ্ট বয়স হওয়া সত্বেও ছেলে/মেয়েদের বিছানায় প্রস্রাব করা (স্বপ্ন দেখে)। ইত্যাদি।
.............
#বিচ্ছেদের যাদুর লক্ষণসমূহঃ
================
০১) সামান্য বিষয় নিয়েই উভয়ের মধ্যে ব্যপক মতানৈক্য ও ঝগড়া-বিবাদ সৃষ্টি হওয়া। যদিও অন্যদের সাথে এরকম হয় না।
০২) একজনের নিকট অপরজনের সকল কাজ-কর্মই অপছন্দ হওয়া।
০৩) হঠাৎ ভালবাসা থেকে শত্রুতায় পরিবর্তিত হওয়া।
০৪) পরস্পর ক্ষমা না চাওয়া ও ক্ষমা না করা।
০৫) উভয়ের মাঝে প্রচন্ড সন্দেহের সৃষ্টি হওয়া।
০৬) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একজনের চেহারা অপরজনের চোখে বদলে যাওয়া।
০৭) একে অপরের ব্যবহৃত জিনিস ও বসার জায়গা অপছন্দ করা।
০৮) একে অপরের উপস্থিতি সহ্য করতে না পারা। সবসময় ভাল থাকে কিন্তু সঙ্গীর নিকট আসলেই গোলমাল শুরু। ইত্যাদি।
.............
🌺#বিয়ে ভাঙ্গা বা বিয়ে বন্ধ করার যাদুর লক্ষণসমূহঃ
=======================
০১) বিয়ের আলোচনা শুরু হলেই অসুস্থ হয়ে পড়া।
০২) (সকল) পাত্র/প্রস্তাবদাতাকে খারাপ লাগা। প্রস্তাব মনমতো না হওয়া। অহেতুক সন্দেহ সৃষ্টি হওয়া।
০৩) কোনো কারণ ছাড়াই বিয়েতে আগ্রহহীন হওয়া।
০৪) ঠিকঠাক ঘুম না হওয়া। ঘুমের মধ্যে ভয় পাওয়া। ঘুম থেকে উঠার পর কষ্ট হওয়া।
০৫) প্রায় সময়ই মনে অস্থিরতা কাজ করা। সাধারণত সন্ধ্যা থেকে এরকম হয়।
০৬) পিঠে প্রচন্ড ব্যাথা। বিশেষকরে কোমরের দিকে (পিঠের নিচের অংশে)।
০৭) মাথা যন্ত্রণা এবং তা চিকিৎসায় ভালো না হওয়া।
০৮) পেটে প্রায়সময়ই ব্যাথা হওয়া। ইত্যাদি।
.............
🌴#অসুস্থ বানানো বা হত্যা করার যাদুর লক্ষণসমূহঃ
======================
কাউকে রোগাক্রান্ত বা অসুস্থ বানিয়ে দেয়ার যাদু’। এটা বিভিন্ন রকমের হয়, কখনো শরীরের কোনো অঙ্গ একেবারে বিকল হয়ে স্থায়ী ক্ষতি হয়ে যায়। কখনো চিকিৎসা করলে আবার সুস্থ হয়। এরকমও হয়, কোনো অঙ্গ মাঝেমধ্যে নাড়াচাড়া করতে পারে, মাঝেমধ্য অচল হয়ে যায়। কারো পুরো শরীর আক্রান্ত হয়।
তো যাদুর ক্ষেত্রে সাধারণ লক্ষণগুলো এরকম বলা যায়-
০১) প্রচন্ড অসুস্থ অথচ মেডিকেল টেস্টে ধরা না পড়া।
০২) প্রচন্ড অরুচি। দিনদিন প্রচন্ড স্বাস্থ্যহানি ঘটা।
০৩) মাঝে মাঝে শরীর ঝাকুনি বা খিচুনী দিয়ে সেন্সলেস হয়ে যাওয়া।
০৪) পঞ্চইন্দ্রীয়ের কোনো একটি দুর্বল বা অকেজো হয়ে যাওয়া।
০৫) শরীরের কোনো অঙ্গে সর্বদা ব্যথা থাকা।
০৬) পুরো শরীর অশাড়/নিশ্চল হয়ে যাওয়া।
০৭) কোনো অঙ্গ একেবারে অচল হয়ে যাওয়া। ইত্যাদি।
৮) কোনো ইন্দ্রিয়শক্তি নষ্ট হয়ে যাওয়া (যেমন: স্বাদ বা গন্ধ না বুঝতে পাওয়া, শুনতে না পারা)
এতক্ষণে একটা বড় প্রশ্ন আপনার মনে উঁকি দেয়ার কথা, ‘প্যারালাইসিস, পোলিও, এপিলেপ্সি কিংবা অন্যান্য অসুখ-বিসুখের কারণেও তো এসব হয়, তাহলে কেউ যাদু করেছে না অসুখের কারণে হয়েছে তা বুঝার উপায় কী?’
হুম, যৌক্তিক প্রশ্ন বটে! যাদুটোনা বা জ্বিনের সমস্যার কারণে সমস্যা হলে সাধারণত ডাক্তারের চিকিৎসায় ফায়দা হয়না। ল্যাব টেস্ট, এক্স-রে, সিটি স্ক্যানে উল্লেখযোগ্য কিছুই পাওয়া যায়না। দ্বিতীয় আরেকটি বিষয় হচ্ছে, রুকইয়া করে দেখতে হবে। যদি কোরআনের আয়াত কিংবা দোয়া পড়ার সময় ইফেক্ট দেখা যায়, যেমন- শরীরে ঝাঁকুনি দিয়ে ওঠে, অজ্ঞান হয়ে যায়, মাথাব্যথা পেটব্যথা শুরু হয় তবে বুঝা যাবে যাদু করেছে কেউ। আর এরকম কিছু না হলে বুঝতে হবে যাদুটাদু নাই, তখন ডাক্তারের চিকিতসা করাতে হবে।
.............
✳️#মস্তিষ্কবিকৃতি বা পড়ালেখা নষ্ট করার যাদুর লক্ষণসমূহঃ
========================
০১) পড়ালেখায় হঠাৎ করে অবনতি। স্মৃতিশক্তি অস্বাভাবিকভাবে লোপ পাওয়া।
০২) পরীক্ষা আসলেই অসুস্থ হয়ে পড়া।
০৩) কথাবার্তা, কাজকর্মে ভুলভ্রান্তি বেড়ে যাওয়া। ওয়াসওয়াসা বেড়ে যাওয়া।
০৪) ঘুম না আসা। ঠিকভাবে ঘুমাতে না পারা।
০৫) ভয়ংকর স্বপ্ন দেখা। স্বপ্নে কেউ ধাওয়া করা।
০৬) একস্থানে বেশীক্ষণ স্থির থাকতে না পারা। কোনো কাজ ধীরস্থিরভাবে করতে না পারা। সিরিয়াসনেস কমে যাওয়া।
০৭) জাগ্রত অবস্থায় "কেউ যেন ডাকছে" এরকম মনে হওয়া।
০৮) অকারণে হুটহাট বাড়ির বাইরে চলে যাওয়া, যেতে ইচ্ছে করা।
০৯) মাঝেমাঝে পাগলের মতো আচরণ করা।
১০) পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে উদাসীন হওয়া। ছেড়া ও ময়লা কাপড় পরতে ইচ্ছে হওয়া।
১১) চোখের অবস্থা পরিবর্তন এবং অসুন্দর হয়ে যাওয়া। ইত্যাদি।
.............
🌺গর্ভের সন্তান নষ্ট করার যাদুর লক্ষণসমূহঃ
========================
০১) বারবার Conceive (গর্ভধারণ) হওয়ার পর Miscarriage (গর্ভপাত) হয়ে যাওয়া।
০২) মেরুদণ্ডের নিচের দিকে ব্যাথা।
০৩) ঘুমের মধ্যে অস্থিরতা। ঠিকভাবে ঘুম না হওয়া।
০৪) মানসিক অশান্তি। বিশেষকরে বিকাল থেকে।
০৫) ভয়ংকর ভয়ংকর স্বপ্ন দেখা।
০৬) সহজেই সবকিছু ভুলে যাওয়া।
০৭) বুকের মধ্যে শক্ত বা ভারি ভারি অনুভূত হওয়া। ইত্যাদি।
......................
লক্ষ্যনীয়ঃ
(০১) যাদুর লক্ষণগুলীর ক্ষেত্রে পাশাপাশি জ্বিনের আসরের লক্ষণও মিলিয়ে দেখা আবশ্যক।
.
(০২) উল্লেখিত লক্ষণসমূহ হতে ২/১ টা লক্ষণ এমনিতেই মিলে যেতে পারে।
উপরের এই লক্ষনগুলি অনেকগুলি মিললে ধরে নিতে পারেন আপনার সমস্যা আছে। তখন চিকিৎসা করা প্রয়োজন।
#treatment তাবিজ কবজ ভুয়া জ্বীনের অভিনেতা লেবাসপরস্তি নামের শেষে কবিরাজ থেকে সাবধান।। অনলাইনে কবিরাজ মানেই দু পাঁচ টাকার বই ওয়ালা নামের শেষে কবিরাজ অর্থাৎ খাবে কি?দান ছদকা খায় লেবাসধারী হাদিয়া নামক পায়খানা খাওয়ার জন্য তাবিজের দোকান থেকে সাবধান টাকা ও ঈমান বাঁচান।। নবীজি তাবিজ দেখলে তাকে বায়াত পড়াতেন না তাবিজ মানে শিরক,, সাহাবী তাবে তাবেঈন ফুকাহ কেরাম ইসলামি স্কলার কেউ তাবিজের নকশা দিয়ে ধোকার দোকান করেনি।কোন দলিল নাই। তবে বর্তমান ওহাবী মতবাদের অনুসারী পেটপুজারী লেবাসপরস্তি নামের শেষে কবিরাজ লাগিয়ে লেবাসের জোরে ধোঁকা দিয়ে থাকে।৷
Comments
Post a Comment