জ্বীন-ভূত কালো জাদু ছাড়ানো মন্ত্রঃ আসিয়া নরসিংহ বসিল সাথে সাথে ভুত জারলাম বজ্জব হাতে- ডাইনে জারুম বায় ঝারুম ভুত পেত কলচাইয়া মারুম- ডাইকা মারুম ডুমকরী মারুম পাথর করমু চূর্ন চূর্ন- কোন কোন দেবতা মারুম দেবী দেবী শুন, অনুখা জনুখা বলে আমি নরসিন ভালো জানি, ফলনার অংগের জ্বর ঝাড়ী বিষ বেদনা আপদ বালাই ছত্রিশটা রোগের কর ঘাউ! দোহাই আল্লাহর মোহাম্মদের ত্রিশ কোটি দেবতার মাথা খাও! কালা কালা নরসিং করিল গমন চান সাব পলাইয়া গেল না করে রাউ, পাঞ্জপতি লইয়া গেল কার্তিক গনেশের মাউ- ত্রিশ কোটি দেবগন তারা করে হুলুস্থুল- ভূমিষ্টে পড়িয়া নরসিং তিন বক ছাড়ে! মুই নরসিং বীর, মোর ডাকে কোন দেবতা থাকতে পারে স্থীর- রাত দিন ভার দিলাম পাথর দেউ দিলাম- করুণ শামছুর হাইছা কাইছা মরা কাইছা মরা! ভাজা খায় পোড়া খায় রাজ সন্ন্যাসি ঘাটে যায়! ভূত পায়, পেত পায় মাদার পায়, কালী পায় বাবা ভাই, বইশালে পায় জিন পায়, পরি পায় দেও পায়, দানব পায় আমার বন্ধের ভিতরে যে করিবে ঘাউ- আল্লাহ হেটে লৌহ কলম জগত ভুমি লরিয়া যায়! শিব বলে পারবতি শোন দিয়া মন, অকুমারি নারী আমি কিসের বিবরণ! দেবির খাট লড়ে পাট লরে লরে সিংহাসন- তাই দেখিয়া শিব ঠাকুরের জইলা উঠে মন- খাইলা...